করোনা মহামারীর কারণে এক ভিন্ন আবহে উদযাপিত হতে যাচ্ছে এবারের ঈদ। অন্যান্য বছর সব শ্রেণির মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায়ের পর কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির পর সেই মাংস আত্মীয়-স্বজন ও গরীবদের মাঝে বিলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন সবাই। তবে এবার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কড়াকড়ি ও নানা বিধি-নিষেধের জন্য ঈদের আনন্দে অনেকটাই ভাটা পড়েছে। এছাড়া বন্যা দুর্গত এলাকাগুলোতেও এবার ঈদের আয়োজন নেই।
রোজার ঈদের মতোই কোরবানির নামাজও হবে শুধু মসজিদে। ঈদের জামাতে মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না, নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিস্কার করতে হবে। প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সকাল ৭টায়।
অন্যান্য বছর পাঁচটি জামাত হলেও এবার হবে ছয়টি। মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। নিষিদ্ধ কোলাকুলিও। সবাইকে বাসা থেকে ওজু করে মসজিদে যেতে হবে মাস্ক পরে। নামাজের কাতারে দাঁড়াতে হবে দূরত্ব রেখে।























































